1. admin@dainikbirchattala.com : admin :
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশ
দৈনিক বীর চট্টলাতে (অনলাইন পোর্টাল) চট্টগ্রাম জেলাসহ সকল উপজেলা এবং কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা ছবিসহ বায়োডাটা ইমেইল করুনঃ বার্তা কক্ষ ও যোগাযোগ: ০১৮৩৫০৬৪০৪০ ইমেইলঃ dainikbirchattala2020@gmail.com
প্রধান খবর
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি)তে ছাত্রদল’র ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ll দৈনিক বীর চট্টলা দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ll দৈনিক বীর চট্টলা কোভিডে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সৌরভ ll দৈনিক বীর চট্টলা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে সীতাকুণ্ড উপজেলা ছাত্রদল ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী জাহেদ সুলতান চৌধুরী রবিন মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ ফসি উদ্দিন নিজামী (সাদ্দাম) সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন ll দৈনিক বীর চট্টলা চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৮ জনের মৃত্যু, বেশি শনাক্ত হাটহাজারীতে চট্টগ্রামে করোনার সংক্রমণের হার কিছুটা নিম্নগামী হলেও মৃত্যুর হার প্রায় অপরিবর্তিত। চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ৭৭২ জন, মৃত্যু ১২ গ্রাফিক্স ডিজাইনার নিয়োগ দিবে আকিজ গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরি লিমিটেড

আহমদ শফীর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, অভিযোগ বড় ছেলে ইউসুফ মাদানীর

  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০

আল্লামা আহমদ শফীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন আহমদ শফী আল মাদানী অভিযোগ করে বলেছেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রয়াত আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যু নিয়ে সংগঠনটির মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী মিথ্যাচার করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা ইউসুফ বিন আহমদ বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর আগের তিন দিন হাটহাজারী মাদ্রাসায় নারকীয় তান্ডব ও ধ্বংসলীলা চালানো হয়েছে। তার অফিস রুম ও হাটহাজারী মাদ্রাসার অনেক শিক্ষকের রুম ভাঙচুরের

ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুনিয়াবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন। জীবনের শেষ মুহূর্তে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে অতি প্রয়োজনীয় ওধুষ গ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। রুমের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল, এসি-ফ্যানসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছিল, চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটানো হয়েছিল, মুখের অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলা হয়েছিল, হাসপাতালে যেতে বিলম্ব ঘটানো হয়েছিল। একশ বছরের বেশি বয়সী এই বয়োবৃদ্ধ আলেমের নাতির গলায় ভাঙা কাচ ধরে বলা হয়েছিল, এই বুইড়া, স্বাক্ষর কর। না হয় তোর নাতিকে হত্যা করবো। এ কথা বলে জোর-জবরদস্তিমূলক স্বাক্ষর নিয়ে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। এসব কিছুর পরও কি বলতে হবে, আল্লামা শফীর মৃত্যু স্বাভাবিক হয়েছে?

তিনি বলেন, একটি চরমপন্থী উগ্রগোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে সহজ-সরল ছাত্রদের উসকানি দেওয়া হয়েছে। সবকিছুই তো দেশবাসীর সামনে ঘটেছে। তারপরও বলতে হবে, আল্লামা শফীর মৃত্যু স্বাভাবিক হয়েছে? আরও জঘন্যতম বিষয় হলো, হেফাজতের তথাকথিত আমির জুনায়েদ বাবুনগরী গত ২৩ ডিসেম্বর হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষকদের সামনে বসিয়ে রেখে বলেছেন, হুজুরের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। কী চরম মিথ্যাচার! এর নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। আল্লামা শাহ আহমদ শফীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে দেশের শীর্ষ এই প্রতিষ্ঠানের মুহাদ্দিসদের সামনে যেভাবে তিনি মিথ্যাচার করেছেন, আল্লাহ তায়ালার দরবারে এর জন্য কী জবাব দেবেন? অথচ জেনেশুনেও তারা এই মিথ্যাচারগুলো শুনে গেছেন, একটু প্রতিবাদ করার সাহসও কারও হয়নি! এটা কি আলেমদের স্বভাববিরোধী নয়?

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, সেই দিনগুলোতে হাটহাজারীতে কি অস্বাভাবিক ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়নি? তাহলে কেন বলা হচ্ছে যে, কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। আমরা তো জানি, অনেক সিনিয়র শিক্ষকের গলায় গামছা লাগিয়ে টানাহেঁচড়া করা হয়েছে। তাদের রুম ভাঙচুর করা হয়েছে। তাদের অর্থ-সম্পদ লুণ্ঠন করা হয়েছে। এসব কি সেদিন হাটহাজারীতে হয়নি? তারপরও বাবুনগরী গং কীভাবে বলছেন, মাদ্রাসায় কোনও কিছুই হয়নি? আল্লাহ তায়ালা হেফাজত করুন। আমরা তার এসব মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মাওলানা ইউসুফ বলেন, জুনায়েদ বাবুনগরী বারবার বলছেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যু স্বাভাবিক হয়েছে। আর এর স্বপক্ষে তিনি আমার ভিডিওবার্তার মাধ্যমে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে বড় দলিল হিসেবে পেশ করছেন। অথচ আমার কাছ থেকে জোর করে এই স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে ২২ সেপ্টেম্বর আর তা প্রচার করা হয়েছে এক সপ্তাহ পর। 

এতেই প্রমাণিত হয়, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের বাঁচানোর হীন উদ্দেশ্যে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। অথচ আমি পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওবার্তায় বলেছি যে, আমাকে জিম্মি করে জোরপূর্বক ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে এই পরিত্যক্ত স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছিল। 

আমি পরিষ্কার ভাষায় বলেছি, আমার বাবার মৃত্যু স্বাভাবিক হয়নি। এরপরও বিগত ২৩ ডিসেম্বর হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতের নামে মামা-ভাগ্নের সংবাদ সম্মেলনে বাবুনগরী আমার সেই স্বীকারোক্তিকেই বড় দলিল হিসেবে পেশ করেছেন। এবং তিনি মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি-ধামকি দিয়েছেন, আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার কথা বলেছেন। 

আমাদের প্রশ্ন, আমার পিতার মৃত্যু যদি স্বাভাবিক হয়ে থাকে তাহলে তদন্তে বাবুনগরী গং-এর এত ভয় কিসের? তার দাবি অনুযায়ী তদন্তে তিনি তো নির্দোষই সাব্যস্ত হবেন। এই মামলায় তো কাউকে অযথা হয়রানি করার জন্য করা হয়নি। সুতরাং এই মামলার তদন্তে কোনো ধরনের বাধার সৃষ্টি করা হলে এর সম্পূর্ণ দায় বাবুনগরী গংদের উপরই বর্তাবে।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved © 2021 dainikbirchattala.com
Theme Customized By BreakingNews